ঢাকা শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ৯ মাঘ ১৪২৭

সব দেশে টিকা রপ্তানির অনুমতি রয়েছে: সেরাম প্রধানের টুইট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৫ জানুয়ারি ২০২১ ১৮:৫২
আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২১ ০২:৫৮
সব দেশে টিকা রপ্তানির অনুমতি রয়েছে: সেরাম প্রধানের টুইট সংগৃহিত

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার খবর নিয়ে বিভ্রান্তির মুখে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালা বলেছেন, সব দেশে করোনাভাইরাসের টিকা রপ্তানির অনুমতি রয়েছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ভারতে কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট।

মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান পুনাওয়ালা বলেন, জনসমাজে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি দুটি বিষয় পরিষ্কার করতে চান।

তিনি বলেন, সব দেশে টিকা রপ্তানির অনুমোদন রয়েছে। আর ভারত বায়োটেক নিয়ে সাম্প্রতিক যে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে, তা দূর করতে একটি যৌথ প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ভারতের টিকার চাহিদা মেটানোর আগে অন্য দেশকে বাণিজ্যিকভাবে টিকা না দেওয়ার বিষয়ে পুনাওয়ালার বক্তব্য ঘিরে বিভ্রান্ত-অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়।

গত পরশু পুনাওয়ালার সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আগামী দুই মাসে তারা ভারতের টিকার চাহিদা পূরণ করবেন। ভারত সরকারকে প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহের পরই টিকা রপ্তানি করা সম্ভব হতে পারে।

এ ছাড়া আদর পুনাওয়ালাকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা এপি বলে, বাণিজ্যিকভাবে টিকা দিতে নিষেধাজ্ঞা আছে।

অন্যদিকে, ভারতের টিকা রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার খবরের বিষয়ে সেরাম ইনস্টিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন দিল্লিতে বিবিসিকে জানান, টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ, তাদের টিকা রপ্তানির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে রপ্তানি শুরুর আগেই তারা ভারত সরকারকে ১০ কোটি টিকা দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। কিন্তু এ মুহূর্তে তারা রপ্তানি করতে পারবেন না, যেহেতু তাদের রপ্তানির অনুমতি নেই।

গত নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও বেক্সিমকোর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিনের ভারতীয় সংস্করণ ‘কোভিশিল্ড’ চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া পর এটির তিন কোটি ডোজ সংগ্রহের জন্য গত ৫ নভেম্বর ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে সরকার।

রবিবার ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের দিয়েছে।

টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার খবরে ভ্যাকিসন পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল জানিয়েছে, বাংলাদেশ যথাসময়েই কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পাবে।