ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭

সাতক্ষীরায় শুকনো মরিচের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা বেড়েছে

অর্থনীতি
২৮ জানুয়ারি ২০২০ ১১:৩১
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১৫:১৩
সাতক্ষীরায় শুকনো মরিচের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা বেড়েছে ফাইল ছবি

সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম কিছুটা কমেছে। তবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে শুকনো মরিচের দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুলতানপুর বড় বাজারে শুকনো মরিচের দাম কেজিতে ৬০-৭০ টাকা বেড়েছে। একই অবস্থা বিদ্যমান হলুদ গুঁড়োর বাজারেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ৩০-৩৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় শুকনো মরিচ ও গুঁড়ো হলুদের দাম বাড়ছে।

গতকাল সোমবার সাতক্ষীরার সবচেয়ে বড় মসলা বাজার সুলতানপুর বড় বাজারের বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারিতে শুকনো মরিচের কেজি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে পণ্যটির বিক্রয়মূল্য ছিল প্রতি কেজি ২৫০-২৬০ টাকা। একই দিনে পাইকারিতে গুঁড়ো হলুদ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৯০-১৯৫ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগে পণ্যটি বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা দরে।

সুলতানপুর বড় বাজারের পাইকারি আড়তদার মো. আব্দুল জানান, চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় শুকনো মরিচ ও গুঁড়ো হলুদের দাম বেড়েছে। এছাড়া দেশের ব্যবসায়ীরা সাধারণত ভারত থেকে শুকনো মরিচ আমদানি করে। ফলে ভারতে পণ্যটির দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে।

এদিকে সুলতানপুর বড় বাজারে গতকাল দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রতি কেজি ২০-৩৫ টাকা ও রসুনের কেজি ৩০ টাকা ও আদার প্রতি কেজি ২০-২৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারে দেশী পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে চীন থেকে আমদানি করা রসুন ও আদার দামও নিম্নমুখী রয়েছে।

গতকাল সুলতানপুর বড় বাজারে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৮০-৮৫ টাকায় ও রসুন বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ১৩০-১৪০ টাকা দরে। বাজারের একজন আড়তদার বাসুদেব সাহা বণিক বার্তাকে জানান, চলতি মৌসুমে বাজারে দেশে উৎপাদিত নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এক সপ্তাহ আগে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের কেজি ১০০-১২০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বাজারে চীন থেকে আমদানি করা রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম কমে গেছে।

এদিকে সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্কস্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছর ভোমরা বন্দর দিয়ে শুকনো মরিচ আমদানি কমেছে অন্তত ৩০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ভোমরা বন্দর হয়ে ১৬ হাজার ৩৯৬ টন শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে পণ্যটি আমদানির পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৫৫১ টন। অর্থাৎ এবার এ বন্দর হয়ে পণ্যটির আমদানি ৮ হাজার ১৫৫ টন কমেছে।

সর্বশেষ সবখবর